গল্প প্যাকেজ

New -26% গল্প প্যাকেজ

তাওবাহর সত্য ঘটনা নিয়ে বই “তাওবাহর গল্প”। সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাঈন), বনী ইসরাইল, তাবেঈ, তাবেঈন এবং বর্তমান সময়ের দ্বীনবিমুখ বিভিন্ন মানুষের ঈমান জাগানিয়া তাওবাহর ঘটনাসমূহ স্থান পেয়েছে এই বইটিতে। গুনাহ থেকে কীভাবে আল্লাহ্‌র দিকে ফিরেছেন , কীভাবে নীড়ে ফিরেছেন, ইসলামের কোন সে বিষয় যা তাদের মনে দাগ কেটেছে – তাওবাহর সেই সমস্ত ঘটনার উপরে রচিত এই বইটি। আশা করি, দ্বীন বিমুখ তাওবাহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে।
.
.
বই : তাওবাহর গল্প
অনুবাদ, সংগ্রহ ও সম্পাদনা : রাজিব হাসান
পৃষ্ঠা : ১৭০

------------.
দু’আ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাহ। রাসূল ( ﷺ) ইরশাদ করেন,“দু’আ মূল ইবাদাহ”(১)। দু’আ হলো মহান আল্লাহর নিকট কোনকিছু চাওয়া বা প্রার্থণা করা। যিনি আমাদের সুন্দরতম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন, পরীক্ষার নিমিত্তে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন, কৃত গুনাহ মাফের জন্য কিংবা যে কোন প্রকারের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন। যুগে যুগে মানবতার মুক্তির দূত নাবী রাসূলগণ (আলাইহিমুস-সাল্লাম) যে কোন প্রয়োজনে স্বীয় রবের কাছে দু’আ করতেন। যে কোন মুহুর্তে, যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে কোনকিছু চাইতে দ্বিধাবোধ করতেন না।

সাহাবা (রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা ‘আনহুম ওয়া আজমাঈন) দু’আ করতেন, চাইতেন, আল্লাহর কাছে বেশী বেশী ফিক্বির জারি রাখতেন। যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে দু’আ, যেকোন বিপদ-আপদে দু’আ, যে কোন সমস্যায় দু’আ, সুখের সময়ও দু’আ। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনায় দু’আ। তাদের যাবতীয় ফরিয়াদ ছিল আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে, শুধুমাত্র তারই কাছে। রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা ‘আনহুম ওয়া আজমাঈন।

প্রতিটি বিষয়ে হউক তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, হউক বৃহদাকার একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকেই সর্বদা ডাকতে হবে আমাদের, তার কাছেই চাইতে হবে সবকিছু। কোন কিছুর জন্য যে কোন পরিস্থিতিতে দু’আ করলে আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত খুশি হন।

রাসূল (ﷺ) বলেন,“যে ব্যক্তি চায় বিপদাপদে আল্লাহ তার দু‘আ কবূল করুন, সে যেন তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময়েও আল্লাহর নিকট বেশি বেশি দু‘আ করে”।(৫)

আমাদের আশেপাশের সাধারণ, অতি সাধারণ মানুষেরা জানে না কিভাবে দু’আ করতে হয়। কিভাবে ডাকলে আল্লাহ্‌ শুনেন, দু’আ কবুল করেন। অন্যদিকে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে ডেকে সাড়া পেয়েছে, জীবনের মোড় ঘুরে গেছে, চরম হতাশা ও বিপদের মুহুর্তে এক আল্লাহ্‌র উপর তাওয়াক্কুল করে ফল পেয়েছে – এরকম মানুষের গল্প ভুড়িভুড়ি। সাধারণ মানুষের দু’আ কবুলের বিভিন্ন ঘটনার সম্ভার নিয়ে “দু’আ কবুলের গল্পগুলো”। ওয়ামা তৌফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
.
বই : দু'আ কবুলের গল্পগুলো
অনুবাদ, সংগ্রহ ও সম্পাদনা : রাজিব হাসান
পৃষ্ঠা : ২০০

_______________
নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভাষায় ‘‘সকল সন্তানই ফিতরাতের উপর জন্ম নেয়’’। [বুখারীঃ ১৩৮৫]

এই ফিতরাত বলতে বুঝায় স্বভাবব্জাত প্রকৃতি। বাচ্চাদের ‘দুনিয়াটা মস্ত বড়’ এর শিক্ষা দেওয়া হলে তারা এর উপরই গড়ে ওঠা স্বাভাবিক, বিপরীতে ‘জান্নাতটা মস্ত বড়’ এর শিক্ষা দেওয়া হলে তাঁরা এর উপরই গড়ে ওঠা স্বাভাবিক।আমরা বাচ্চাদের কতো স্বপ্নপুরী বা কল্পরাজ্যের গল্প শুনাই, যেগুলো সত্য নয়, সেগুলো বাচ্চাদের জীবনকে সুন্দর করে সাজাতেও কোনো কাজে আসে না। অথচ যে রাজ্য স্বপ্নের নয়, বরং বাস্তবতা; সে রাজ্যের গল্পই শুনাই না! যে রাজ্য সম্পর্কে আমাদের মালিক আল্লাহ বলেছেন, ‘’সেখানে তোমাদের মন যা চাইবে এবং যার আদেশ করবে তাই রয়েছে।’’

আজকের বাচ্চারা উপেক্ষিত। সাহাবীদের সেই সোনালী যুগে বাচ্চাদের জন্য মাসজিদে ছিলো আলাদা কাতার, রমাদ্বানে সুযোগ ছিলো সিয়াম রাখার; সে যুগে তাদের বাবা-মারা তাদেরকে জান্নাতের সফলতা পাওয়ার জন্য জান্নাতের গল্প শুনাতেন। আর আমরা দুনিয়ার পরীক্ষায় সফলতার জন্য সন্তানদের গাঁধার মতো ঘরে আটকে রেখে বলি মাসজিদে যাওয়া লাগবে না, আজকে সিয়াম রাখা লাগবে না।

মাসজিদগুলোতে কচিমুখের শিশুদের মুখ দেখা যায় না, ঘরের বুড়ো-বুড়িরা সাহরী খেতে জেগে উঠলেও খোকা-খুকিরা থাকে ঘুমিয়ে। আমরা ভুলে যাই মহান আল্লাহর সেই কথা, ‘’অতঃপর যাকে জাহান্নামের আগুন হতে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে ঢুকানো হবে সেই সফল হলো’’। [সূরা আলে ইমরানঃ ১৮৫]


আমরা চাই সকলের কাঁদামাটির মতো বাচ্চাগুলোর মনে জান্নাতের প্রতি ভালোবাসা যেন গেথে যায়, আমরা চাই তাঁরা যেন জান্নাতের প্রতি লোভাতুর হয়ে যায়; সেজন্যই তাদেরকে বলি ‘এসো জান্নাতের গল্প শুনি’। তাঁদের জন্যই এই বইটি।
.
বই : এসো জান্নাতের গল্প শুনি
লেখক : তানবীর হাসান বিন আব্দুর রফীক
সম্পাদনা : শাইখ ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া

Write a review

Note: HTML is not translated!
    Bad           Good

0 Product(s) Sold
  • ৳660.00
  • ৳490.00
  • Ex Tax: ৳490.00

Tags: গল্প প্যাকেজ